Breaking
Mon. Jun 22nd, 2026

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল সংকটে অনিশ্চয়তায় বিদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থীরা

রাজধানীর মগবাজারস্থ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সেখানে অধ্যয়নরত বিদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বাড়ছে। গত ১০ দিন ধরে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের একটি দল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গিয়ে মহাপরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য যান। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদেশি শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যান। তারা জানান, চলমান সংকটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং সমাধানের উদ্যোগ চাওয়ার জন্যই সেখানে এসেছিলেন। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মানবজমিনকে বলেন, মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ কাজে কার্যালয়ের বাইরে ছিলেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা আগে থেকে কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেননি। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। অন্য কোনো কর্মকর্তা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন কিনা তাও তারা জানা নেই বলে উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা। বিদেশি শিক্ষার্থীরা বলেন, হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তাদের শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ডা. খুজাইমা নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে খুবই বিপাকে আছি। বিষয়টির সমাধানের জন্য দূতাবাসসহ বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোথাও থেকে কোনো কার্যকর সাড়া পাইনি। বাধ্য হয়েই আজ এখানে এসেছি। এখন যদি আমাদের কথা কেউ না শোনে, তাহলে আমরা আরও বড় সমস্যায় পড়ব।
শিক্ষার্থীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজে মোট ২৯৫ জন বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৬ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং ২০৯ জন মেডিকেল শিক্ষার্থী। অধিকাংশই ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে এসে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা করছেন। হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি, ইন্টার্নশিপ এবং ডিগ্রি সম্পন্ন করা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ না হলে তাদের শিক্ষাজীবনে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। (অনলাইন ডেস্ক)

By WNB24

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *