পাকিস্তানের সিন্ধুর নৌশেরো ফিরোজ জেলার মোরো এলাকায় পুলিশ সঙ্গে সংঘর্ষে জাতীয়তাবাদী সংগঠনের দুই কর্মী নিহতের ঘটনায় গত ২৫ মে প্রদেশজুড়ে ধর্মঘট পালিত হয়েছে। গত ২০ মে এই সংঘর্ষের ঘটনায় ২৫ মে ‘শাটার ডাউন’ ধর্মঘট পালিত হয়।
কমিটির নেতা — রিয়াজ আলী চান্দিও, নিয়াজ কালানি, নওয়াজ খান জাউনর এবং ফাতেহ চান্না — শনিবার মোরো এলাকার লাঘারি-বিজারানি গ্রামে গিয়ে নিহত কর্মী জাহিদ লাঘারি ও ইরফান লাঘারির পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন ও সমবেদনা জানান। ২০ মে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে জাহিদ ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং ইরফান ২৩ মে হায়দরাবাদে লিয়াকত ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।রিয়াজ আলী চান্দিও অভিযোগ করেন, ইরফানের মরদেহ তার পরিবারের হাতে হস্তান্তর না করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে গেছে। ২৩ মে পরিবার ও শত শত জাতীয়তাবাদী কর্মী মরদেহ গ্রহণ করতে হাসপাতালে গেলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে, অনেককে আটক করে এবং মরদেহ নিয়ে যায়।
চান্দিও দাবি করেন, ইরফান ও জাহিদের পরিবারের অভিযোগে এফআইআর দায়ের করতে হবে এবং এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিন্ধের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলী শাহ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জার এবং কিছু পুলিশ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করতে হবে।
তিনি আরো দাবি করেন, সংঘর্ষের দিন এবং পরে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মুক্তি দিতে হবে এবং জাতীয়তাবাদী কর্মীদের বাড়িতে পুলিশি অভিযান বন্ধ করতে হবে। (মাহমুদুল হাসান)
