Sun. Jun 21st, 2026

নৌকাবাইচ দেখানোর কথা বলে শিশুকে অপহরণ, চার দিন পর লাশ উদ্ধার

নৌকাবাইচ দেখানোর কথা বলে সারজিদ আহমদ (৯) নামের এক শিশুকে গত সোমবার অপহরণ করা হয়েছিল। অপহরণের চার দিন পর গতকাল শুক্রবার রাতে মাছের খামার থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আজ শনিবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সারজিদ আহমদের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আলীগঞ্জ গ্রামে। তার বাবার নাম আল আমিন। অপহরণের ঘটনায় গত বুধবার শিশুর বাবা আল আমিন বাদী হয়ে তিনজনের নামে জগন্নাথপুর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের মৃত কছর মিয়ার ছেলে ছালিম উদ্দিন (৪৫), একই গ্রামের মৃত আবদুর শহিদের ছেলে জনি (২৫) ও বাগময়না গ্রামের মৃত আবদুল নওয়াফের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল সারজিদ। এ সময় তাকে নৌকাবাইচ দেখানোর কথা বলে সেখান থেকে নিয়ে যান কয়েকজন। এরপর তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পায়নি পরিবার। গতকাল রাতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ (উমরপুর) এলাকার একটি মাছের খামারের পুকুরে শিশুটির লাশ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। আজ সকালে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, শিশুটিকে অপহরণের ঘটনায় ইতিমধ্যে তিনজন কারাগারে রয়েছেন। আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদনও করা হয়েছে। রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন করা হবে। সারজিদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের মৃত কছর মিয়ার ছেলে ছালিম উদ্দিন (৪৫), একই গ্রামের মৃত আবদুর শহিদের ছেলে জনি (২৫) ও বাগময়না গ্রামের মৃত আবদুল নওয়াফের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল সারজিদ। এ সময় তাকে নৌকাবাইচ দেখানোর কথা বলে সেখান থেকে নিয়ে যান কয়েকজন। এরপর তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পায়নি পরিবার। গতকাল রাতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ (উমরপুর) এলাকার একটি মাছের খামারের পুকুরে শিশুটির লাশ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। আজ সকালে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, শিশুটিকে অপহরণের ঘটনায় ইতিমধ্যে তিনজন কারাগারে রয়েছেন। আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদনও করা হয়েছে। রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন করা হবে। সারজিদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
(মাহফুজুল ইসলাম)

By WNB24

Related Post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *